কে-পপ, ড্রামা ও মেডিকেল ট্যুরিজমসহ কে-কালচারের (K-culture) বিশ্বব্যাপী অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তার কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের হোটেল শিল্পে আমূল পরিবর্তন আসছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম অর্ধে রেকর্ড ১ কোটি ৭ লাখের বেশি বিদেশি পর্যটক দেশটি সফর করেছেন (যা আগের বছরের তুলনায় ২১.৩% বেশি)। পর্যটকদের এই ঢল এবং খরচের প্রবণতা বাড়ায় সিউলের হোটেল মালিকরা তাঁদের ব্যবসা পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নে বাধ্য হচ্ছেন।
উদাহরণস্বরূপ, ‘লটে হোটেল সিউল’ দীর্ঘ ১৫ মাসের সংস্কার কাজ শেষে ঘরের সংখ্যা ৭৩৭টি থেকে কমিয়ে ৫৯০টিতে এনে বড় পরিসরের রুম তৈরি করে ‘গ্র্যান্ড লটে সিউল’ নামে নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এর পাশাপাশি, বিদেশি পর্যটকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রুখতে দেশটির সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় নতুন ১,০০০ পয়েন্টভিত্তিক হোটেল গ্রেডিং ব্যবস্থা চালু করেছে। বিশ্বখ্যাত বিলাসবহুল হোটেল ব্র্যান্ড রোজউড, জানু, ক্যাপেলা ও ম্যানডারিন ওরিয়েন্টালও সিউলে তাঁদের নতুন শাখা খুলতে যাচ্ছে, যা দেশটির আতিথেয়তা খাতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।



